EBL একুয়া কার্ড ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ও কার্ড পাওয়ার উপায়

আমাদের জন্য EBL MasterCard Aqua Prepaid Card দারুণ একটা সার্ভিস। এটি Eastern Bank এর একটি সার্ভিস। এটি হচ্ছে ডুয়েল কারেন্সির একটা  প্রিপেইড ডেভিড কার্ড। কার্ডে ডলার অথবা টাকা লোড করা যাবে। আর পরবর্তীতে ঐ ডলার বা টাকা যে কোন কাজে ব্যবহার করা যাবে। অনলাইনে কেনাকাটা, এয়ারটিকেট বুকিং, বিদেশে গিয়ে শপিং, যে কোন দেশে গিয়ে ঐ দেশের কারেন্সিতে টাকা তোলা সবই এই কার্ড দিয়ে করা যাবে।

কার্ড পাওয়ার উপায়

একুয়া কার্ড নিতে চাইলে ইস্টার্ন ব্যাঙ্কের যে কোন শাখায় ন্যাশনাল আইডি অথবা পাসপোর্ট, আর এক কপি ছবি নিয়ে গেলেই সাথে সাথে কার্ডটি নিয়ে আসা যাবে। কার্ড এর ফী হচ্ছে ৫০০ টাকা। সাথে সাথে নিলে কার্ডে আপনার নাম থাকবে না। যদি কয়েক দিন সময় দেন, তাহলে আপনার নাম সহ কার্ড পাওয়া যাবে।

কার্ডে টাকা বা ডলার লোড করা

ইস্টার্ণ ব্যাঙ্কের যে কোন শাখা থেকে কার্ডে ডলার বা টাকা লোড করা যাবে। যে কোন ক্রেডিট কার্ডের বিল দেওয়ার মতই। ফরম পূরণ করার সময় ডলার হিসেবে লোড করবেন নাকি টাকা হিসেবে, তা উল্লেখ করে দিতে হবে। ডলার লোড করার সময় ঐ দিনের ডলার এক্সচেঞ্জ রেট অনুযায়ী ডলার যুক্ত হবে কার্ডে।

সমস্যা

প্রথম যে সমস্যাটি আমার কাছে মনে হয়েছে, তা হচ্ছে বিদেশে গেলে আপনি শপিং অথবা ATM এ সহজেই ব্যবহার করতে পারবেন। কিন্তু অনলাইনে কার্ডটি ব্যবহার করতে পারবেন না যদি না আপনি যে নাম্বার ব্যবহার করে কার্ডটি নিয়েছেন, ঐটিতে রোমিং সুবিধা চালু থাকে। কারণ অনলাইনে পেমেন্ট দিতে গেলে আপনার মোবাইলে OTP পাঠাবে। আর ঐ OTP ছাড়া অনলাইনে বিল পেমেন্ট বা কেনাকাটা করা যাবে না।

দ্বিতীয় সমস্যা হচ্ছে কার্ডের জন্য কোন সিস্টেম নেই যেখানে নিজে নিজে ডলারের ব্যালেন্স দেখতে পারবেন। কাস্টোমার কেয়ারে ফোন করে ব্যালেন্স জানতে হবে অথবা EBL এর DIA এজেন্ট ব্যবহার করে ব্যালেন্স জানতে পারবেন। যদিও তা বাংলাদেশে থাকা অবস্থাতেই। আর স্ট্যাটমেন্ট জানারও সরাসরি কোন সুযোগ নেই। কাস্টোমার কেয়ারে ফোন করলে তারা আপনাকে মেইল করবে। প্রতি বার স্ট্যাটমেন্ট মেইল করার জন্য ৫০ টাকা একাউন্ট থেকে কেটে নিবে। এই কয়েকটা সমস্যা ছাড়া কার্ডটি অনেক উপকারী। অন্তত আমার জন্য। বিদেশে ঘুরাঘুরি করতে গেলে সাথে করে নিয়ে যাওয়া যায়। পেওনিয়ারের মাস্টারকার্ডের ব্যাকআপ হিসেবে কাজ করে।

টিপস

বিদেশে গিয়ে ATM থেকে টাকা তোলার সময় সেভিংস অপশন ব্যবহার করলে টাকা আসবে না। ব্যবহার করতে হবে ক্রেডিট অপশন।

8 thoughts on “EBL একুয়া কার্ড ব্যবহারের অভিজ্ঞতা ও কার্ড পাওয়ার উপায়

  1. OTP ইমেইল করলেই হয়। ২ টা অপশন থাকতে পারে । ফোন আর ইমেইল

  2. জাকির ভাই, এদেশের যে নাম্বার দেওয়া সেটাই রোমিং অপশন না করা থাকলে বাংলাদেশ থেকেও অনলাইনে পেমেন্ট করা যায় না, নাকি দেশের বাইরে থেকেই শুধু অনলাইন পেমেন্টে সমস্যা হচ্ছে?

    1. বিষয়টা হল, ধরুন আপনি এখন ফ্রান্স এ আছেন। আপনার যে নাম্বার দিয়ে রেজিস্টেশন করেছেন, সেটিতে এস. এম. এস আসবে, আপনিত ফ্রান্সে কিভাবে এস. এম. এস পাবেন?? তাই না? আর এস. এম. এস এর কোড না দিলেত আপনি অনলাইনে কেনা কাটা করতে পারবেন না। রোমিং চালু থাকলে পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই আপনার সিম (বাংলাদেশের সিম) একটিভ থাকবে। ভাই রোমিং এর সে খরচ, তা কল্পনারও বাহিরে। তবে হা,, আপনি যখন বাংলাদেশে থাকবেন, তখত দেশি/বিদেশী যে কোন সাইট থেকে কেনা কাটা করতে সমস্যা হবে না। সমস্যা শুধু একটাই তাহল আপনি বিদেশে থাকা অবস্থায় অনলাইনে কেনা কাটা করতে পারবেন না। কিন্তু আপনি POS Transaction/Cash টাকা ATM থেকে তোলা, সবই করতে পারবেন। আশা করি বুঝছেন।

Leave a Reply