Borland C++ কম্পাইলার ইন্সটল ও প্রোগ্রাম রান করার পদ্ধতি।

অনেকেই এখনো কম্পাইলারে প্রোগ্রাম রান করতে পারে না, তাই আজ কিভাবে একটি কম্পালার ইন্সটোল করবেন ও প্রোগ্রাম রান করবেন তা দেখাবো। এক্ষত্রে অনেকে Dev C++Codeblocks ইত্যাদি ব্যবহার করেন এবং এগুলো অনেক ফিচার সমৃদ্ধ, তারপর ও Borland C++ কম্পাইলার নেওয়ার কারন হচ্ছে সহজ ব্যবহার পদ্ধতি। Turbo c এর নীল স্কিন আমার কাছে ভালো লাগে না তাই ব্যবহার ও করি না।  আমি সব গুলোর লিঙ্ক দিয়ে দিলাম আপনারা যার যেটা ইচ্ছে তা নামিয়ে ব্যবহার করতে পারেন।

নিচের ইমেজ গুলো দেখতে কোন অসুবিদা হলে এখান থেকে এ পোস্টির পিডিএফ কপি নামিয়ে নিতে পারেন।

আচ্ছা আপনি এখানে ক্লিক করে Borland C++ কম্পাইলার ডাউনলোড করে  নিন। এর পর তা Unzip করে নিন। zip সফটওয়ার না থাকলে এখানে ক্লিক করে সুন্দর  ফ্রি ওয়ার jZip টি নামিয়ে ইন্সটল করে নিন। আনজিপ করার পর Install নামের ফাইটি রান করান । এবং Borland C++ কম্পাইলার ইন্সটল শেষ করুন।

এবার Start> Program file> Borland c++ 4.5> Borland c++ ওপেন করুন। তাহলে নিচের মত দেখতে পাবেন।

এবার ফাইল মেনু থেকে New সিলেক্ট করুন। তাহলে নিচের মত একটি উইন্ডো ওপেন হবে।

এবার এখানে আপনার কোড গুলো লিখুন। কোড লিখা হয়ে গেলে সেব করতে ফাইল মেনু থেকে save এ ক্লিক করে একটি নাম দিয়ে সেব করুন। আর রান করার জন্য Debug menu থেকে রান এ ক্লিক করুন। তাহলে কোন ভুল থাকলে দেখাবে, ভুল গুলো ঠিক করে আবার Debug menu থেকে রান এ ক্লিক করুন, তাহলে দেখবেন আপনার প্রোগ্রাম রান হয়েছে।

এবার আমি একটা করে দেখিয়ে দিচ্ছি। আমি আগে দেখানো মত একটি নতুন ফাইল ওপেন করছি। এর পর কোড গুলো লিখছি। এবার আমি ফাইলটি সংরক্ষন করতে চাই।

তাই File>save এ ক্লিক করছি। নিচের মতআরেকটি উইন্ডো ওপেন হবে।

এখানে প্রথমে Extention ঠিক করুন। এটি C++  প্রোগ্রামিং কম্পাইলার।  এটি দ্বারা  C C++  উভয় কোড ই কোড কম্পাইল করা যায়। C  এর কোডের Extention হছে C, আর C++  এর cpp । আপনি যদি C  এর কোডের Extention C++  দেন তাহলে ও সমস্যা নেই। কারন  C এর থেকেই C++  উতপন্ন। এবং C++  এ   C  এর কোড সাপোর্ট করে। তারপর একটি নাম দিন।  ৩য় ধাপে কোন ড্রাইভে ফাইলটি সংরক্ষন করবেন তা নির্বচান করুন। ডিফল্ট ভাবে এটি আপনার রুট ড্রাভে সেব হবে। তার পর কোন ফোল্ডারে সংরক্ষন করবেন তা ঠিক করে OK করুন। এত কষ্ট না করতে চাইলে শুধু একটি নাম দিয়ে OK করুন তাহলেই সেব হয়ে যাবে।

এবার রান করানোর পালা।

Debug menu থেকে রান এ ক্লিক করুন।

এখানে আমাকে compiling status দেখাচ্ছে। এ প্রোগ্রামে দুটি ভুল এবং একটি ওয়ারনিং রয়েছে। এবার ok করে দেখি, কোথায় ভুল আছে তা দেখাবে।

Error এর উপর ক্লিক করলে কোন লাইনে ভুল তা দেখাবে। ওহ আমি তো সেমিকোলনি দিতে ভুলে গেছি। আমরা জানি যে কোন statement লিখলে তা শেষ করতে সেমিকোলন দিতে হয়, না দিলে প্রোগ্রামে ভুল দেখায়। এখানে printf  ফাংশান দিয়ে লিখা statement টি আমরা শেষ করি নি, তাই ভুল দেখাচ্ছে। এবার সেমিকোলনটি দিয়ে আবার প্রোগ্রাম টি রান করে দেখি।

ওয়াও এবার দেখি প্রোগ্রাম টি রান হয়েছে এবং আউটপুট দিয়েছে।এভাবেই আপনি যেকোন প্রোগ্রাম রান করাতে পারেন। আবারো প্রোগ্রামিং টিউন নিয়ে হাজির হব ।

ধন্যবাদ সবাইকে। কম্পাইলার এবং IDE এবং এদের মধ্যে পার্থক্য জানার জন্য নিচের পোস্টটি দেখতে পারেন।


2 thoughts on “Borland C++ কম্পাইলার ইন্সটল ও প্রোগ্রাম রান করার পদ্ধতি।

  1. দারুন লিখেছেন।আমিও টারবো লাইক করি না। ধন্যবাদ শেয়ার করার জন্য

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *