কম্পাইলার এবং IDE এবং এদের মধ্যে পার্থক্য

কম্পাইলার এবং IDE  এবং এদের মধ্যে পার্থক্য সম্পর্কে বলার আগে কম্পাইলার সম্পর্কে বলতে হয়, কম্পাইলার হচ্ছে প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের মাধ্যেমে লিখিত কোড গুলোকে অন্য আরেকটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে কনভার্ট করার সিস্টেম। কম্পাইলার একটি কম্পিউটার প্রোগ্রাম হতে পারে আবার একাদিক প্রোগ্রামের সমস্টিও হতে পারে। আমরা বা প্রোগ্রামাররা যে সকল ল্যাঙ্গুয়েজে কোড লেখি সে গুলো কোন কম্পিউটার বা মেশিন পড়তে পারে না। মেশিনের জন্য রয়েছে আলাদা ভাষা, যা মেশিল ল্যাঙ্গুয়েজ নামে পরিচিত। আর প্রোগ্রামারদের লিখিত কোন প্রোগ্রামের কোড বা সোর্সকোড থেকে মেশিনকোডে রূপান্তরের কাজটি কম্পাইলার দিয়ে করা হয়ে থাকে। এ ক্ষেত্রে একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজকে মেশিল ল্যাঙ্গুয়েজে কনভার্ট বা রুপান্তরিত করতে  দুটি ধাপ অতিক্রম করতে হয়। প্রথমত কম্পাইলার প্রোগ্রামিং কোড বা সোর্সকোডকে অ্যাসেম্বলি কোডে পরিনত করে, পরবর্তীকালে অ্যাসেম্বলার অ্যাসেম্বলি কোডকে মেশিনকোড এ পরিনত করে।

মেশিনকোড মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজ হচ্ছে একটি নিম্ন-স্তরের প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ যা কোন কম্পিউটারের কেন্দ্রীয় সিপিইউ  সরাসরি বুঝতে পারে। মেশিনকোড বাইনারী কোডে লেখা হয়। যা হচ্ছে ০ ও ১ দিয়ে। এ ভাষা আবার মানুষ বুঝতে পারে না। তাই কোন ভুল হলেও ধরতে পারে না। তার জন্য হচ্ছে  অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ। অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে পরিবর্তন করতে ব্যবহৃত হয়  অ্যাসেম্বলার। আর অ্যাসেম্বলার হচ্ছে একটি কম্পিউটা সফটওয়ার যা অ্যাসেম্বলি ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে মেশিন ল্যাঙ্গুয়েজে কোন সোর্সকোডকে রুপান্তরিত করতে ব্যবহৃত হয়।

কয়েকটি কম্পাইলারের নামঃ

  • GCC GNAT
  • Pelles C
  • Borland C++
  • C++ Builder কম্পাইলারের অভাব নেই। এখানে ক্লিক করে অনেক গুলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজের কম্পাইলার সম্পর্কে জানতে পারবেন।

IDE হচ্ছে Integrated Development Environment  এর সংক্ষিপ্ত রুপ।

IDE ও একটি সফটওয়ার। এটির মধ্যে এক সাথে অনেক গুলো কাজ করা যায়। এটি হচ্ছে একাদিক কম্পিউটার প্রোগ্রামের সমস্টি। যেমন একটি IDE  র্সোস কোড এডিটর, একটি কম্পাইলার অথবা একটি ইর্ন্টারপ্রেটার এবং এক টি ডিবাগারের সমন্ময়ে গঠিত হয়। কম্পাইলারে এত গুলো অপশন থাকে না। কিন্তু একটি IDE এর মধ্যেই কম্পাইলার ইন্টিগ্রেটেড অবস্থায় থাকে। কিছু ব্যাতিক্রম ছাড়া একটি কম্পাইলারে মাত্র একটি প্রোগ্রাম কম্পাইল করার সিস্টেম থাকে। কিন্তু আধুনিক IDE গুলোতে একাদিক প্রোগ্রামের সোর্সকোড লেখার পাশা পাশি কম্পাইল, ডিবাগিং,  ভার্শন কন্ট্রোল সিস্টেম সহ আরো অনেক সুবিধা থাকে। আবার IDE তে  গ্রাফিকাল ইউজার ইন্টারফেস  সমৃদ্ধ টুলস থাকার কারনে কোড লিখতে ও যেমন আরাম তেমনি কোন ভুল হলে ধরতে ও সুবিদা হয়। কয়েকটি সেরা IDE হচ্ছেঃ

  • Microsoft Visual Studio
  • Borland Developer Studio
  • Eclipse IDE
  • Netbeans IDE ইত্যাদি। এছাড়া ও আরো অনেক IDE রয়েছে।

IDE গুলো কোডিং করতে কম্পিউটার প্রোগ্রামার বা সফটওয়ার ইঞ্জিনিয়ারদেরকে অনেক সাহায্য করে। যা দিয়ে একই সাথে অনেক গুলো প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজে কোড করা যায়।

ধন্যবাদ সবাইকে। ভালো থাকবেন সেই কামনায় আল্লাহ হাফেজ।


Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *